হ্যাকারদের টেক্কা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ব

প্রযুক্তি যত আধুনিক হচ্ছে ততই স্মার্ট হচ্ছে হ্যাকাররা। অন্যের বিপত্তি বাড়াতে তাদের কর্মপরিধিও তাই দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। আগে যেখানে তাদের কাজ তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো এখন সেখানে তারা নষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছেন পুরো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো খাতের অন্তত ৫ ‘শ ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের ওপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেট। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান।
hackers
হ্যাকিং শব্দটার সাথে বেশ পরিচিত হলেও হ্যাকারদের নিত্যনতুন হ্যাকিং
পদ্ধতির সাথে খুব একটা পরিচিত নয় বিশ্ববাসী। উন্নত প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বে বেড়েই চলছে কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের ঘটনা। আর দমানোর চেষ্টা করা হলেও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে তারা নিয়তই বেছে নিচ্ছেন অপরাধের অন্য কোন পথ। সম্প্রতি মার্কিন এক প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর তথ্য যেন এ আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, হ্যাকাররা এখন শুধু তথ্য চুরি করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, সেইসাথে মুছে ফেলছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কিংবা নিয়ে নিচ্ছে সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের সাথে পাল্লা দিয়ে তৈরি হচ্ছে না শক্তিশালী কম্পিউটার সিককিউরিটি সফটওয়্যার।
হ্যাকারদের প্রতিরোধ করতে এরইমধ্যে নিরাপত্তাজনিত অনেক পদক্ষেপই নিয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু তবু স্মার্ট হ্যাকারদেরকে টেক্কা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
সাইবার আক্রমণ রোধে হ্যাকিংয়ের সফটওয়্যারগুলো হ্যাকারদের আওতার বাইরে রাখতে তহবিল গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা। এদিকে, সাইবার আক্রমণ দমনে কোম্পানিগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মার্কিন সরকার।

কোন মন্তব্য নেই:

হ্যাকারদের টেক্কা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ব

প্রযুক্তি যত আধুনিক হচ্ছে ততই স্মার্ট হচ্ছে হ্যাকাররা। অন্যের বিপত্তি বাড়াতে তাদের কর্মপরিধিও তাই দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। আগে যেখানে তাদের কাজ তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো এখন সেখানে তারা নষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছেন পুরো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো খাতের অন্তত ৫ ‘শ ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের ওপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেট। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান।
hackers
হ্যাকিং শব্দটার সাথে বেশ পরিচিত হলেও হ্যাকারদের নিত্যনতুন হ্যাকিং
পদ্ধতির সাথে খুব একটা পরিচিত নয় বিশ্ববাসী। উন্নত প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বে বেড়েই চলছে কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের ঘটনা। আর দমানোর চেষ্টা করা হলেও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে তারা নিয়তই বেছে নিচ্ছেন অপরাধের অন্য কোন পথ। সম্প্রতি মার্কিন এক প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর তথ্য যেন এ আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, হ্যাকাররা এখন শুধু তথ্য চুরি করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, সেইসাথে মুছে ফেলছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কিংবা নিয়ে নিচ্ছে সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের সাথে পাল্লা দিয়ে তৈরি হচ্ছে না শক্তিশালী কম্পিউটার সিককিউরিটি সফটওয়্যার।
হ্যাকারদের প্রতিরোধ করতে এরইমধ্যে নিরাপত্তাজনিত অনেক পদক্ষেপই নিয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু তবু স্মার্ট হ্যাকারদেরকে টেক্কা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
সাইবার আক্রমণ রোধে হ্যাকিংয়ের সফটওয়্যারগুলো হ্যাকারদের আওতার বাইরে রাখতে তহবিল গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা। এদিকে, সাইবার আক্রমণ দমনে কোম্পানিগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মার্কিন সরকার।

কোন মন্তব্য নেই: