বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হ্যাকারদের টেক্কা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ব

প্রযুক্তি যত আধুনিক হচ্ছে ততই স্মার্ট হচ্ছে হ্যাকাররা। অন্যের বিপত্তি বাড়াতে তাদের কর্মপরিধিও তাই দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। আগে যেখানে তাদের কাজ তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো এখন সেখানে তারা নষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছেন পুরো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো খাতের অন্তত ৫ ‘শ ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের ওপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেট। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান।
hackers
হ্যাকিং শব্দটার সাথে বেশ পরিচিত হলেও হ্যাকারদের নিত্যনতুন হ্যাকিং

বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট হ্যাক

এটিএম বুথ থেকে অর্থ হাতানোর ঘটনাটি দেখে মনে হবে চলচ্চিত্রেরই কোনো দৃশ্য। কিন্তু আসলে তা নয়। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তা থেকে অর্থ হাতানোর ঘটনা এটি।
ঘটনাস্থল ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকের এটিএম বুথ। পিএস ব্যাংকের একটি শাখার এটিএম বুথ থেকে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন ৩১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তাঁর কাছে আছে সোনালি রঙের একটি নাম পরিচয়হীন ক্রেডিট কার্ড; যাতে কালো ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ বসানো। সাতটি ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফোন আর সঙ্গে কাঁধ ব্যাগে ঝোলানো নগদ ৭৬ হাজার ৫৭০ পেসো। এই ব্যক্তি অর্থ উত্তোলন করছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচাতে যা করবেন


ফেসবুক ব্যাবহার এখন অনেকটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, প্রতিদিন বন্ধুদের সাথে কিছু সময় না কাটালে যেন দিনটা মোটেও ভাল কাটে না। হঠাৎ যদি দেখেন যে, আপনার ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে পারছেন না, তখন কেমন লাগবে আপনার? সুরক্ষায় রাখতে চান আপনার প্রিয় ফেসবুক? তাহলে, জেনে নিন ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ-
 
প্রথমত, ফেসবুক আইডিতে ব্যাবহার করা মেইল এবং ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভিন্ন রাখা। হ্যাকাররা হ্যাকের পরই প্রথম লক্ষ থাকে ই-মেইল এড্রেসটা বদলে ফেলা। আর কোনোক্রমে ই-মেইল এড্রেসটি বদলে ফেলতে পারলে আর হ্যাকিং হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি

৫ টি উপায় চিনে নিন হ্যাকার

ইন্টারনেট এখন আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনের অংশ। এটি ব্যবহার করে আমরা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। একই সঙ্গে তথ্য খোঁজা এবং আর্থিক লেনদেন এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে হচ্ছে। এসব করতে গিয়ে প্রায়ই আমাদের হ্যাকারদের কবলে পড়তে হয়। হ্যাকাররা ইন্টারনেটে অজস্র ফাঁদ পেতে রাখে। না জেনে এসব ফাঁদে পা দিলেই ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু একটু সর্তক হলে সহজেই হ্যাকারদের

বাংলাদেশের সেরা ১০ ওয়েবসাইট

আজ আমি আলোচনা করব বাংলাদেশের টপ ১০ সাইট নিয়ে। আমার লেখার যাবতীয় তথ্য এলেক্সা ডট কম হতে সংগৃহীত।
১। বাংলাদেশে ১ নং অবস্থানে আছে ফেসবুক ডট কম।ফেসবুক সম্পর্কে নতুন করে বলার মত কিছু নাই। বোঝা যাচ্ছে যে বাঙালি ফেসবুকে সময় নষ্ট করে বেশি। ফেসবুক গ্লোবাল র‍্যাংকে আছে ২ এ।
URL: http://www.facebook.com
২। বাংলাদেশে ২ নং অবস্থানে আছে গুগোল ডট কম। গুগোল হলো সার্চ ইঞ্জিন। এটি বর্তমানে বিশ্বে ১ম অবস্থানে আছে।
URL: http://google.com
৩। বাংলাদেশে ৩ নং অবস্থানে আছে গুগোল ডট কম ডট বিডি।এটি গুগোল বাংলাদেশের ওয়েবসাইট। গুগোল ডট কম আর গুগোল ডট কম ডট বিডি একই কাজ করে থাকে।
URL: http://google.com.bd
৪। বাংলাদেশে ৪ নং অবস্থানে আছে ইউটিউব ডট কম।বাঙালি যে ভিডিও পাগল এটি তার প্রমাণ। ইউটিউবের গ্লোবাল র‍্যাংক ৪।আর মজার বিষয় যে ইউটিউবের সহ প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের বংশভূত জায়াদ করিম।
URL: http://youtube.com
৫। বাংলাদেশে ৫ নং অবস্থানে আছে প্রথম আলো ডট কম।পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক যে সেরা ১০ এ থাকবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। সারা বিশ্বে আছে ৯৭৪ নম্বর অবস্থানে।
URL: http://www.prothom-alo.com
৬। বাংলাদেশে ৬ নং অবস্থানে আছে ইয়াহু ডট কম। এটিও একটি সার্চ ইঞ্জিন। বর্তমানে এটির জনপ্রিয়তা কমে গেলেও বাংলাদেশে এটি ভাল একটা অবস্থান রাখে তা নিশ্চিত।
URL: http://yahoo.com
৭। বাংলাদেশে ৭ নং অবস্থানে আছে বিডিনিউজ২৪ ডট কম । এটি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। গ্লোবালে তারা আছে ১৬৬৬ এ।
URL: http://bdnews24.com
৮। বাংলাদেশে ৮ নং অবস্থানে আছে ব্লগস্পট ডট কম। এর মাধ্যমে ব্লগ তৈরি করা হয়।
URL: http://blogspot.com
৯। বাংলাদেশে ৯ নং অবস্থানে আছে আসক ডট কম। আমার মতে এটি এতো জনপ্রিয় হওয়ার কথা না। তবে মনে হয় ইন্টারনেট ডট অর্গের কল্যাণে আসক ৯ম এ আস্তে পেরেছে।
URL: http://ask.com
১০। বাংলাদেশে ১০ নং অবস্থানে আছে বাংলানিউজ২৪ ডট কম । এটিও একটি বাংলা নিউজ পোর্টাল।
URL: http://banglanews24.com
আমাদের জন্য গর্বের বিষয় যে বাঙালি নিউজ পেপার বেশি পড়ে। আশা করই যে বাংলা নিউজ পোর্টাল গুলা আরও ভাল করবে।
Microsoft has exposed weaknesses in Google!

Picture:

Microsoft has exposed weaknesses in Google! Microsoft software bug has leaked gugalamaikrosaphatake has left quite an embarrassing situation, Google. Microsoft's software security flaw exposed publicly the situation is embarrassing enough for Microsoft. Once the matter before the Google-Microsoft's argument on single width. BBC news. 'Project Zero', a project by the name of software errors or bugs in Windows, Google is working to find out. The Windows 7 and Windows 8.1 operating system, Google announced a major security shortcomings. Once the error of this type of security offered angered Microsoft officials said Google just is not working. Because the customer may be employed. Google and Microsoft to work together on this issue is that Microsoft is secretly offered. Project Zero initiatives taken by different organizations find fault with security software to fix the time limit of three months, Google. If that does not fix the bugs in the period, when the company publicly revealed. The Windows operating system is Google, which has leaked the news of the existence of the bug exploited by cyber criminals to steal information from your computer that easily. Google last year to 17 October, Microsoft had this bug and fix it in three months, the deadline was set. Microsoft said, will be to fix this bug by the end of January but due to some problems to the screw would take until next February. But Google did not deviate from their rules, Microsoft has exposed the weaknesses of the public. Microsoft officials kholenani face of Google stock, but Microsoft is not happy with Google's Project Zero, it was understood that. What the Google-Microsoft's upcoming fight? Technology analysts say, Microsoft's honor in the hands of the matter said Google!
যে ভাবে শুরু করেছি অনলাইন ব্যবসা (১ম পর্ব)

ছবি:

প্রথমেই বলে রাখি আমার সাফল্য , যোগ্যতা ও দক্ষতা এতই কম যে আমি অনেকর সামনে যেতে লজ্জ্বা পাই। আমি অনেক কিছুই এড়িয়ে চলি।বিশেষ কারনে ফেইসবুকে নিজের ওয়ালেই সীমাবদ্ধ থাকি।নিজের কি কথা বলবো সেটা বুঝতে পারছি না। । কিন্তু আগের পোস্টগুলোতে কিছু অনুরোধ এসেছে তাই লিখছি। যাদের মনে হবে এই ধরনের তথ্য পড়লে মন ও মেজাজ খারাফ হয়ে যেতে পারে দয়া করে না পড়ে এড়িয়ে যাবেন। এতে আপনার মূল্যবান সময় বেচেঁ যাবে। আমি আসলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছে বাংলাদেশেই।কোন কোম্পানীতে যোগ না দিয়ে নিজেই সফটওয়্যার তৈরি করতাম। ২০০২ সাল হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সফটওয়্যার তৈরির সাথে যুক্ত চিলাম। । আমার সাথে আমার একজন এসিট্যান্ট ২০০২ বা ২০০৩ সাল থেকেই ছিলো। আমার শুরুটা ভালো হয়েছিলো। প্রথমেই একটা শিপিং ইয়ার্ডের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করি।এই সফটওয়্যার তৈরি করতে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছিলো। আমার কাজের ধরন ও সাফল্য দেখে তারা আমার সাথে দীর্ঘ মেয়াদী চুক্তি করে। এই কাজের পর আরো বড় বড় কোম্পানী গুলো তাদের সফটওয়্যার বানাতে আমাকে হায়ার করা শুরু করছিলো। শিপিংয়ের অনেকেই আমাকে তখন চিনতো।অনেকই আমাকে বেশ কদর করতো। আমার কোনো প্রজেক্টেই ব্যর্থ হয় নাই। এক শিপিং কোম্পানীর ম্যানেজার আরেক শিপিং কোম্পানীর ম্যানেজারে কাছে নিয়ে যেতো। তারাই আমার মার্কেটিং করতো। কিন্তু আমার লোকাল মার্কেটের জন্য কাজ করতে ভালো লাগতো না। খুব চাপ আর অনিশ্চয়তা। টাকা পয়সা যেভাবে পাওয়ার কথা পাচ্ছিলাম না। ২০০৩ সালেই আমি বিয়ে করি। একটা একটা ভীষন চাপ ছিলো। আমি চাইছিলাম আরো ভালো কিছু করতে ।তখন ইন্টারনেটের ব্যবহারের সুবিধা তেমন ছিলো না। আমি ইনটারনেট ব্যবহারে সুযোগ পেলেই অনলাইনে কিভাবে কাজ করা যায় তা দেখতাম। এই দেখাদেখি আসলে ২০০০ সাল থেকেই করছিলাম। আমি যখন শুরু করি তখন শুধু রেন্টে কোডার আর ইল্যান্স ছিলো। ওডেক্সের নামই শুনি নাই। ২০০৮ এর দিকই আসলে অডেক্স বেশ জনপ্রিয় হয়। আমি আগেই ঠিক করেছি আমি একা কাজ করবো না। আমার টিম থাকবে তারা ৮০% কাজ করবে। ২০% কাজ যেগুলো তারা পারবে না সেগুলো আমি করবো। আমি খেয়াল করে দেখেছি যেকোনো কাজে এমনকি মেনেজারের কাজেও ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ রিপিটিটিভ এবং একই ধরনের । আমি বিশ্বাস করতাম এই ৮০% কাজ অন্যকে শিখালে সে করতে পারবে। মানে জুনিয়র দিয়ে করানো যাবে।তাই আমার প্লান ছিলো আমার কাজের ৮০% কাজ আমি টিম দিয়ে করাবো। আমি উইনডোজ প্রোগ্রামার ছিলাম। ইল্যান্সে প্রোফাইল খুলতে টাকা লাগতো। আর রেন্টে কোডারে যে কাজ ছিলো তা ইন্ডিয়ান প্রোগ্রামারদের বিড করার মতো প্রস্তুত ছিলাম না।আর বিড করতে আমার ভালো লাগতো না। ওয়েবে কিভাবে বিজনেস করা যায় তা পড়তে থাকি। ওয়েব সাইট, কনটেন্ট , মার্কেটিং এগুলো যখন যা পাই পড়তে থাকি। নানা রকম যোগ বিয়োগ করেছি। ওয়েব বিজনেস তৈরির ক্ষেত্রে তখন কিছু লেখা পড়ছিলাম তাতে ইউএসপি(ইউনিকসেলিং পজিসনিং) এর কথাই বার বার বলা হতো।খুজতে লাগলাম আমাদের ইউএসপি কি। দেখলাম সেটা মানুষ। সেই কারনে গার্মেন্টসের প্রায় সব ব্যবসায়ী ধনী ও গাড়ী বাড়ীর মালিক। সেই কারনে বিদেশে যারা লোক পাঠায় তারা সফল। সবাই টাকার মালিক হয়। আমি খুজতেছিলাম এমন ধরনের কাজ যা কিছু ট্রেনিং দিয়ে মানুষকে তৈরি করে নেয়া যায়। যদিও আমি প্রোগ্রামার আমি প্রোগ্রামিংকে নিজের ইউএসপি মনে করি নাই। কারন তখন প্রোগ্রামার পাওয়া খুব কঠিন । আমি আগেই বলেছি আমি নিজে কাজ করবো না এটাই প্লান ছিলো। আর প্রোগ্রামারা খুব সুইচ করে। প্রফেশনলারা ছোট কোম্পানীগুলোকে তাদের ক্যারিয়ার তৈরির জন্য অপেরেশন ল্যাব হিসাবে ব্যবহার করে। একটু তৈরি হলেও বেটার চান্সের কথা বলে চলে যাবে এই বিষয়টা মাথায় ছিলো। আমি ঠিক করেছিলাম যাই করি যে টিম তৈরি করবো তারা তিন বছর কমপক্ষে কাজ করতে হবে। তবে আমি অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হয়ে যাবো। আমি তখন প্রোডাক্ট তৈরির জন্য প্রজেক্টে ফ্যাইনান্স করতে পারবো। আর বেটার প্রফেশনাল নিয়োগ করতে পারবো। এরই মধ্যে প্রথমে অফিসে পরে বাসায় ব্রডব্যান্ডের ব্যবস্থা করেছি। দিনের বেলায় সফটওয়্যারের কাজ করি । রাতে ওয়েবে কি করা যায় তাই খুজি। এই রকম ৩ বছর চলছিলো। প্রচন্ড মানুসিক চাপ আর অনিশ্চয়তায় ভুগতেছিলাম। খুবই ভালো কিছু চাকরীর অফার ছিলো রিজেক্ট করেছিলাম। তাই মাঝে মাঝে মনে হতো না জানি ছিটকে পড়ি। ওয়েব রিসার্চ করতে করতে কিছু সার্ভিসের ধারনা পাইছি। সেইগুলো নিয়ে এবার ওয়েব সাইট তৈরি শুরু করার শুরু করলাম।

পৃথিবীর ভেতরের স্তরের নতুন তথ্য

ছবি

পৃথিবীর ভেতরের স্তরের নতুন তথ্য


   
পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে কী আছে, তা জানার চেষ্টায় বিজ্ঞানীরা নতুন তথ্য পেয়েছেন। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা যায়, আমাদের এই গ্রহের একেবারে গভীরে রয়েছে আরেকটি স্বতন্ত্র অঞ্চল।
এ ব্যাপারে নেচার জিওসায়েন্স সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে লোহার স্ফটিকের কাঠামো রয়েছে। আর সেটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ স্তরের বাইরের অংশের চেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্যের।
মাটি খুঁড়ে পৃথিবীর কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই সেখানকার গঠন-প্রকৃতি বিজ্ঞানীদের কাছে বরাবরই রহস্যময় বলে বিবেচিত হয়। ভূমিকম্পের ফলে ভূপৃষ্ঠে যে কম্পন ও প্রতিধ্বনি হয়, বিজ্ঞানীরা তার ওপর গবেষণা চালিয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের বৈশিষ্ট্য জানার চেষ্টা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিয়াওদং সং বলেন, ভূমিকম্পের ফলে তৈরি তরঙ্গগুলো পৃথিবীর এক পাশ থেকে আরেক পাশে প্রবাহিত হয়।
চীনের সহকর্মীদের নিয়ে অধ্যাপক সং ওই তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা চালান। তিনি বলেন, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের গঠন-বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে একধরনের আভাস বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। স্থানটি দুই অংশে বিভক্ত এবং কঠিন পদার্থে পূর্ণ। আকারে প্রায় চাঁদের সমান।
ভূকম্পঘটিত তরঙ্গের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে যেসব স্ফটিক রয়েছে, সেগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত। আর অভ্যন্তরীণ স্তরের বাইরের অংশে যেসব পদার্থ রয়েছে, সেগুলো উত্তর-দক্ষিণ বরাবর সজ্জিত রয়েছে। অধ্যাপক সং বলেন, তাঁরা পৃথিবীর একেবারে গভীরে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন কাঠামো খুঁজে পাচ্ছেন। এতে করে পৃথিবীর দীর্ঘ ইতিহাস সম্পর্কে নতুন অনেক কিছু জানা যেতে পারে।
পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলটি ভূপৃষ্ঠ থেকে অন্তত পাঁচ হাজার কিলোমিটার নিচে। প্রায় ১০০ কোটি বছর আগে সেখানকার উপাদানগুলো কঠিন পদার্থে রূপ নিতে শুরু করে। স্থানটি প্রতিবছর প্রায় দশমিক ৫ মিলিমিটার করে বাড়ছে। সেখানে ভিন্ন ভিন্ন সজ্জায় স্ফটিকের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, পৃথক পৃথক পরিবেশে সেগুলো গঠিত হয়েছে এবং আমাদের গ্রহটি সম্ভবত সে সময় নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে।
যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইমন রেডফার্ন বলেন, পৃথিবীর গভীরতর স্থানে কঠিন পদার্থসংবলিত অঞ্চলের অনুসন্ধানের ব্যাপারটি কালের পরিক্রমায় পেছনে ফিরে যাওয়ার মতো। কারণ, এতে করে ওই স্থানের গঠনের শুরুর সময়টা সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যেতে পারে। এই গ্রহের কেন্দ্রস্থলে স্ফটিক স্বচ্ছ পদার্থের সারিবদ্ধ অবস্থান সম্পর্কে মানুষ আগে কখনো শোনেনি। এই আবিষ্কারের ফলে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলটি মাটির গভীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বলে জানা গেল।
রেডফার্ন আরও বলেন, অন্যান্য গবেষণা অনুযায়ী পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র সম্ভবত প্রায় ৫০ কোটি বছর আগে একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পার করেছে। হয়তো তখন নিরক্ষীয় অক্ষ এবং মেরু অক্ষের মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
পাসওয়ার্ড ছাড়াও ফেসবুকে লগ ইন

ছবি:


আপনি কি কখনও ফেসবুকের কোনো কর্মীর সঙ্গে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম হেল্পডেস্কের মাধ্যমে কথা বলেছেন? আপনি কি জানেন যে ফেসবুকের একজন কর্মী খুব সহজেই আপনার প্রোফাইল
মশা দিয়ে মশা নিধন।


ছবি
:
মশা দিয়ে মশা নিধন! মশা দিয়েই মশা নিধন। শুনেই হয়তো অবাক হলেন। কিভাবে এটা সম্ভব। কিন্তু যদি বলা হয় কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার কথা তবে তা অনেকটা স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কারণ এই শব্দটির সঙ্গে সকলেই কম বেশি পরিচিত। মশার অত্যাচারে অতিষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মানুষ যদি একবার অনুমতি দেয় তো ডেঙ্গুর মতো ভয়াবহ রোগ প্রতিরোধে তাদের দেয়া
মোবাইল মেটাবে প্রেমিকের অভাব !
ছবি:

মোবাইল মেটাবে প্রেমিকের অভাব ! একজন প্রেমিকের অভাব পূরণ করবে মোবাইল। ভাবছেন এটা আবার কিভাবে সম্ভব। হ্যাঁ, সম্ভব। যারা প্রেমিকের অভাব অনুভব করছেন, তাদের জন্যই “ইনভিজিবল বয়ফ্রেন্ড” নামের অ্যাপটি তৈরি হয়েছিল বোধহয়। তবে এজন্য আপনাকে গুণতে হবে মাসে মাত্র ২৪.৯৯ ডলার। বিনিময়ে এই অ্যাপ আপনাকে একজন প্রেমিকের মতোই পাঠাবে টেক্সট মেসেজ, এমনকি হাতে লেখা চিঠিও। প্রয়োজনে করবে কলও। “ইনভিজিবল গার্লফ্রেন্ড” নামের একটি ভার্সন প্রথম বাজারে আসে ২০১৩ সালে। কিন্তু তখনও এর বাণিজ্যিক সাফল্য নিয়ে সন্দিহান
সিদ্ধ ডিম কাঁচা করা যাবে !
ছবি:

সিদ্ধ ডিম কাঁচা করা যাবে ! সিদ্ধ ডিম করা যাবে কাঁচা! শুনেই হয়তো অবাক হলেন। হওয়ারই কথা কারণ ডিমের কঠিন অংশ পুনরায় কিভাবে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তবে এই অসম্ভব কাজটি সহজ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। আর এই আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন সাফল্য দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভর্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক সিদ্ধ ডিমকে কাঁচায় পরিণত করার গবেষণা করেন। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক জর্জ ওয়েস। তাঁদের গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী ‘কেমবায়োকেম’। গবেষকরা বলেন, একটি ডিমকে সিদ্ধ করা হলে এর প্রোটিন বা সাদা অংশ রাসায়নিক পরিবর্তন হয়ে জটিল গঠনে রূপ নেয়। গবেষকরা জটিল গঠনের এই সিদ্ধ ডিমের অংশকে সম্পূর্ণ কাঁচা অবস্থায় নিয়ে এসেছেন। গবেষণায় ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ২০ মিনিট সিদ্ধ হওয়া একটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করা হয়। রাসায়নিক বস্তু যোগ করে সাদা জমাট বাঁধা অংশকে তরলে রূপান্তরিত করা হয়। পরে এই তরলকে ‘ভরটেক্স ফ্লুইড মেশিন’ নামক একটি যন্ত্রে মধ্যে নেওয়া হয়। গবেষক ওয়েজ ও তাঁর সহকর্মীরা যন্ত্রটি তৈরি করেছেন। এই যন্ত্রে প্রবেশকৃত তরল মিশ্রণটির ওপর অতি সূক্ষভাবে চাপ পড়ে। এতে ডিমের সিদ্ধ হওয়া সাদা অংশ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে আগের কাঁচা অবস্থার পরিণত হয়।
ওয়েব সাইট এর ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
ছবি:

আমাদের অনেকের নিজের কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট তৈরি করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু একটি ওয়েব সাইট বানানোর জন্য প্রধান দুটি জিনিসের দরকার হয়। একটি হল ডোমেইন নেম আর একটি হল হোস্টিং। ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিষয়টি অনেকের কাছে কঠিন মনে হয়। আমি সহজ ভাবে আপনাদের বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করছি। ডোমেইন নেম কি ? আগের উদাহরনে ফিরে যায়। আপনার অফিসে
ওয়াইফাই হ্যাকিংয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব
ছবি: ওয়াইফাই হ্যাকিংয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব

সম্প্রতি বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিমানে যাত্রীদের জন্য ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এ ওয়াইফাই ব্যবহার করেই বিমানের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকিং করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি এক প্রতিবেদন বাণিজ্যিক বিমানে ওয়াইফাইয়ের ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে। এতে জানানো হয়েছে, ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে বিমান হ্যাকিং করে তা ভূপাতিত করা সম্ভব। তবে বিষয়টি কতোখানি সহজ বা কঠিন, তা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।
সরকারের এ রিপোর্টের পর বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চিন্তা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে ককপিটে ব্যবহৃত সরঞ্জামের দিয়েই যাত্রীদের ইন্টারনেট দেওয়া হয় না। যাত্রীদের ব্যবহৃত ওয়াইফাই যন্ত্রপাতি সরাসরি বিমানের নেভিগেশনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির সঙ্গে সংযুক্ত না হলেও তারা কিছু অভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি সম্প্রতি বিমান ট্র্যাকিংয়ের জন্য নতুন কিছু সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছে। এসব সিস্টেমের মাধ্যমেও বিমান হ্যাকিং করা সম্ভব হতে পারে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
বিমান পরিচালনাকারী যন্ত্রপাতি প্রধানত অন্য যন্ত্রগুলো থেকে আলাদা থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে এফএএ এবং সাইবারসিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা ফায়ারওয়ালের ওপর নির্ভরশীল। তবে ফায়ারওয়্যাল যেহেতু সফটওয়্যার, তাই এটি কোনোভাবে হ্যাক করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে এক পর্যায়ে হ্যাকাররা আস্ত একটি বিমান হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কারো হাতে নেওয়াটাও অসম্ভব নয়।
সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড
ছবি:

সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড

খুব সহজেই কোন প্রকার সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়। যে ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন সে ভিডিওটি ওয়েব ব্রাউজারের ওয়েব লিংকে  http://www.  এর পরে মাত্র দুইটি ss যুক্ত করেই ব্রাউজ করলেই (saveform.net) র্সাভারের একটি পেজ আসবে।

পেজটির ডান পাশে ডাউনলোড লিংক সব ফরম্যাটে দেয়া থাকে। আপনার পছন্দের যে কোন একটি ফরম্যাটে ক্লিক করলেই ভিডিওটি ডাউনলোড হবে। 
আফসোস বিল গেটসের !
ছবি:বিল গেটসের


আফসোস বিল গেটসের ! 
                          

প্রচুর অর্থকড়ি থাকলেই যে সবকিছু করা যায়, তা ঠিক নয়। অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হতে পারেন মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান নির্বাহী বিল গেটস, এর পরও একটি বিষয়ে তাঁর আফসোস থেকেই গেছে। কী আফসোস? একাধিক ভাষা না শেখা। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, ‘আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে কোনো বিষয়ে আমার আক্ষেপ বা দুঃখবোধ আছে কি না বা আমি করতে পারিনি এমন কোনো বিষয় আমাকে কষ্ট দেয় কি না, তবে আমি বলব যে আরও বেশি বিদেশি ভাষা শিখতে না পারার আক্ষেপ আমাকে বেশি পোড়ায়।’ মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গেটস নিজের আফসোস নিয়ে বলেন, ‘যখন মনে হয় আমি ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো বিদেশি ভাষা জানি না, নিজেকে খুব বোকা মনে হয়।’
নিজের অতীত স্মৃতি মনে করে গেটস বলেন, ‘যখন হাইস্কুলে পড়তাম, তখন লাতিন আর গ্রিক পড়েছিলাম এবং এতে এ গ্রেড পেয়েছিলাম। এতে শব্দভান্ডার হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু আমার ইচ্ছা ছিল ফ্রেঞ্চ, আরবি বা চাইনিজ ভাষা শেখার। সময় পেলে এ ভাষাগুলোর মধ্যে কোনো একটা শেখার চেষ্টা করব বলে ভেবেছিলাম। ফ্রেঞ্চ ভাষা যেহেতু সহজ, আমি সেটাই আগে শেখার চেষ্টা করেছিলাম। বেশ কিছুদিন দুটি ভাষার চর্চা চালিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তা আর ধরে রাখতে পারিনি।’
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের একাধিক ভাষায় কথা বলার দক্ষতার প্রশংসাও করেন বিল গেটস। তিনি বলেন, ‘মার্ক জাকারবার্গকে দেখে দারুণ লাগে। কী চমৎকারভাবে মান্দারিন ভাষায় চীনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব চালিয়ে গেল সে।’
নিরাপদ রাখবেন যেভাবে ফেসবুক

ছবি: নিরাপদ রাখবেন যেভাবে ফেসবুক
সাবধানে থাকুন বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের খুবই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। নানা বয়সের মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করলেও মূলত তরুণ প্রজন্মই এটি বেশি ব্যবহার করে। তরুণদের কাছে ফেসবুকের আকর্ষণ অনেক বেশি। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ফেসবুকের নীতিমালা না জানা বা নীতিমালা না পড়ার কারণে অনেক কম বয়সী ছেলেমেয়ে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে তা ব্যবহার করে। ফেসবুকে হাজারো সুবিধা থাকার পরও কম বয়সী ব্যবহারকারী ও মেয়েরা এখানে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকারও হয়। যেহেতু ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা কঠিন, তাই এতে অনেক সময় অনেক সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় দেখা যায় ব্যবহারকারীর সব তথ্য (প্রোফাইল ইনফো) তার বন্ধু (ফেসবুক ফ্রেন্ড) না হয়েও অনেকে দেখতে পারে বা একজনের ব্যক্তিগত ছবির অ্যালবাম অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দেখে ফেলে। এসব সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। তবে এর জন্য ব্যবহারকারীকে ফেসবুকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বিভিন্ন ধরনের প্রাইভেসির সুবিধা এতে রয়েছে।
ব্যাকআপ রাখুন
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও যেন আপনার ছবি, ভিডিও, নোট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন হারিয়ে না যায়, সেজন্য ফেসবুকে রয়েছে ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থা। ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Download a copy-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Start My Archive-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হতে থাকবে। ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনার ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। তারপর আবার Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে Download a copy-এ ক্লিক করে আপনার ফেসবুকের ব্যাকআপ প্রোফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড হওয়ার পর জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন। এখন রহফবী ফাইলটি ওপেন করলে আপনি আপনার ফেসবুকের পুরো প্রোফাইল (ছবি, ওয়াল, মেসেজ, ফ্রেন্ড) দেখতে পারবেন। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার তথ্যগুলো হারিয়ে যাবে না।
সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন 
ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। দেখবেন শুরুতেই আছে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন। এখানে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করে তার উত্তর সেভ করে রাখুন। পরে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ পরিবর্তন করে দিলে এর মাধ্যমে লগ ইন করতে পারবেন।
মোবাইল নম্বর যোগ করা
ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি কখনও চুরি হয়ে যায়, তাহলে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা উদ্ধার করতে পারবেন। আবার আপনি ইচ্ছা করলে ফেসবুকের খবর বা নোটিফিকেশনসগুলোও মোবাইল ফোনে পেতে পারেন বিনা মূল্যে। এজন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ গিয়ে বাঁ পাশ থেকে গড়নরষব-এ ক্লিক করুন। এখন Add a Phone লিংকে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে গড়নরষব Carrier-এ বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল বা রবি নির্বাচন করে ঘবীঃ-এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নম্বরটি ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ করতে না চাইলে Add this phone number to my profile বক্স থেকে টিক চিহ্নটি তুলে দিন। আপনার মোবাইল থেকে ঋ লিখে ৩২৬৬৫-এ মেসেজ দিন। ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে একটি কোড নম্বর আসবে, সেটি কোড বক্সে লিখে ঘবীঃ-এ ক্লিক করুন।
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা
আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Login Notifications-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। Email-এর পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ঝধাব Changes-এ ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করে Require me to enter a security code sent to my phone বক্সে টিকচিহ্ন দেয়ার সময় নতুন বার্তা এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন। এখন Phone number বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। তারপর Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন, Name New Computer নামের একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন। এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করলেই কেবল আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মোবাইলে আসা কোড নম্বরটি কোড বক্সে প্রবেশ করানো হবে। আপনার ই-মেইলে একটি মেইল যাবে, যেটাতে লেখা থাকবে কে, কখন, কী নাম দিয়ে, কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করেছিল।
স্প্যাম এবং স্ক্যাম থেকে দূরে থাকুন
প্রায়ই দেখবেন see who have visited your profile, see who have deleted you, see how many people visited your profile এছাড়াও আছে কিছু ভিডিও বা ছবি যাতে লেখা থাকে the girl died after seeing this pic ইত্যাদি। এগুলোতে ক্লিক করলে দেখবেন আপনার প্রফাইলে এসব স্প্যাম মেসেজ যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, আপনার স্ট্যাটাস হিসেবে এসব চলে আসছে। সুতরাং এগুলো ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখুন। 
হুমকি-ধমকি চলবে না
কাউকে ভুলেও, মজা করেও ফেসবুকে থ্রেট দেয়া যাবে না। আবার গালাগাল করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। নাহলে কেউ যদি রিপোর্ট করে আইডির আশা ছেড়ে দিতে হবে।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড প্রয়োগ
কোনো আইডির সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে মিশ্র ধরনের পাসওয়ার্ডের দিকে নজর দিতে হবে। মানুষ সব সময় যে কমন ভুলটা করে তা হলো নিজের ডিটেলস দিয়ে পাসওয়ার্ড দেয়, কিন্তু তা মোটেও নিরাপদ নয়। যেমন নিজের নাম, পরিবারের কারও নাম, জন্মতারিখ কিংবা মোবাইল নম্বর—এ ধরনের তথ্য। মনে রাখবেন পাসওয়ার্ড দিতে গেলে বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর যে কোনো অঙ্ক, স্পেস ইত্যাদি ব্যবহার করবেন। আর স্পেশাল চিহ্নও রাখতে পারেন, যথা : *, %, # ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন। পাসওয়ার্ডের মোট অক্ষর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কমপক্ষে ৬ সংখ্যার পাসওয়ার্ড দিতে হলেও চেষ্টা করুন যাতে মিনিমাম ১০-১৫ অঙ্কবিশিষ্ট হয়। আর পাসওয়ার্ডকে যাতে ভুলে না যান সেজন্য অন্য কোথাও সংরক্ষণ করুন।
নিয়মিতভাবে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
নিয়মিতভাবে নতুন পাসওয়ার্ড দিন, দেখবেন তাতে পাসওয়ার্ড ফাঁস হলেও ভয়ের কিছু থাকবে না। আর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Forgot Password নামক অপশনটি তো অপেক্ষা করছেই আপনার হারানো পাশ ফিরে পেতে।
ব্যক্তিগত তথ্য সম্বন্ধে সাবধানতা
প্রোফাইলে এমন কোনো তথ্য দেবেন না, যাতে দুষ্টচক্রের হাতে আপনার তথ্য পাচার হয়ে যায়, আর সেই তথ্য থেকেই আপনার পাসওয়ার্ড ব্রেক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিরাপদ হলো সেইসব তথ্য কাউকে না দেয়া। এ ব্যাপারটা ব্যবহার করে আমি নিজে ৬টা আইডি চেষ্টা করে ১০০ ভাগ সফল হয়েছি। সো ডন্ট ডু দ্যাট, অবশ্য আমি তাদের দুর্বলতা চেক করার উদ্দেশ্যেই সেটা করেছি।
অপরিচিত/ফেক অ্যাকাউন্টকে বন্ধু বানাবেন না
একটা অপরিচিত ব্যক্তিকে কখনোই রিকোয়েস্ট বা এক্সেপ্ট করা উচিত নয়, কারণ এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ছবিহীন প্রোফাইল বা প্রয়োজনীয় ইনফো ছাড়া কাউকে অ্যাড করা কোনোভাবেই উচিত নয়।
লিঙ্ক ক্লিকে সতর্কতা
ধরুন, আপনাকে কেউ একজন একটা লিঙ্ক দিল, কিন্তু সেই লিঙ্কে ক্লিক করার আগে বেশ কয়েকবার চিন্তা করা উচিত। যেমন, এমন হলো এটা পিশিং লিঙ্ক, বা কুকি স্টিলিং স্ক্রিপ্ট বা বিপজ্জনক কিছু, যা আপনার যে কোনো প্রাইভেসি ভাঙতে পারে।
ই-মেইল সুরক্ষা ও এর সতর্ক ব্যবহার
ইদানীং সবচেয়ে বেশি হ্যাক করা হয় ই-মেইলের মাধ্যমে, তাই ই-মেইল অ্যাড্রেসের কোনো লিঙ্কে যদি ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তাহলে ভুলেও সেখানে কিছু দেবেন না, আর ফেসবুকের হ্যাক কিন্তু ই-মেইল দিয়েই করা যায়। তাই আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেসের পাসওয়ার্ডও অনেক স্ট্রং করবেন, না হলে তো বুঝতেই পারছেন!
ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট আলাদা রাখা
ফেসবুকে প্রাইভেট গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে বন্ধুদের তালিকা আলাদা করা যায়। পরিবার, স্কুল, কলেজ বা অফিসের বন্ধুদের তালিকা আলাদা রাখলে সবারই নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। এটি সহজে করা যায় ফ্রেন্ড লিস্টে গিয়ে নতুন লিস্ট তৈরি করার মাধ্যমে।
ফেসবুক সার্চ লিস্ট বন্ধ করা
ফেসবুকের সার্চ অপশন ব্যবহার করে সহজেই মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে এটি বন্ধ করা যায়, এমনকি ব্যবহারকারী যে নেটওয়ার্কের সদস্য, সেটি থেকেও তার উপস্থিতি লুকানো সম্ভব। এটি করা যাবে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে সার্চ অপশনে গিয়ে। ফেসবুক সার্চ রেজাল্টে কারা সার্চ করতে পারবেন, এটি বাছাই করা যাবে এখান থেকে।
গুগল সার্চ লিস্ট বন্ধ
অনেক সময় দেখা যায়, গুগলে কারও নাম দিয়ে সার্চ করা হলে সেখানে সেই ব্যক্তির ফেসবুকের পেজও চলে আসে। এভাবে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিও নির্দিষ্ট কারও সব তথ্য পেতে পারে বা তাকে খুঁজে বের করতে পারে। এটি করার জন্য ‘সার্চ প্রাইভেসি সেটিং’ পেজে গিয়ে ‘পাবলিক সার্চ রেজাল্ট’ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিতে হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ
যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাদের কাছে এটি খুব পরিচিত ব্যাপার। ব্যবহারকারীর অজান্তে দেখা যায়, তার কোনো ব্যক্তিগত ছবি বা অন্য কারও ছবি যোগ হয়ে যায় (ট্যাগ করা) এবং ব্যবহারকারীর বন্ধুরা সেটি দেখতে পান। প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে ‘ফটোস ট্যাগড অব ইউ’-এ গিয়ে ‘অনলি মি’ অপশন বাছাই করে দিলে কেউ আর কোনো ছবি যোগ করতে পারবে না।
ফটো অ্যালবামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
অনেক সময় দেখা যায়, পারিবারিক ফটো অ্যালবাম, যা কিনা শুধু পরিবারের সঙ্গে দেখা যায়, তা অসাবধানতার কারণে সবার কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়। ফটো বা ফটো অ্যালবাম ফেসবুকে রাখার (আপলোড) সময় কে কে এটি দেখতে পাবে, তা ঠিক করে দেয়া যায়।
নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যবহারকারী তার নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ না করলে তার প্রোফাইলের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সবার নজরে পড়ে যায়, যা হয়তো তিনি কাউকে দেখাতে চাননি।
অ্যাপ্লিকেশন স্টোরি নিয়ন্ত্রণ করা
ফেসবুকের অন্যতম আর্কষণ এর বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন। এসবের হালনাগাদ (আপডেট) অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তে তার নিউজ হোমপেজে প্রকাশ হয়, যা অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। এ থেকে মুক্তি পেতে ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশন সেটিংস অপশনে গিয়ে ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে হবে।
কনটাক্ট ইনফরমেশন প্রাইভেট বানানো
ব্যবহারকারী তার সঙ্গে যোগাযোগ করার তথ্য, যেমন—ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস থেকে কনটাক্ট ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করে এটি করা যাবে।
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করা
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে প্রোফাইল ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে অ্যালাউ ফ্রেন্ডস টু পোস্ট অন মাই ওয়াল অপশনে টিক চিহ্ন দিতে হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি ব্লক করা
ফেসবুক ব্যবহারকারী যদি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করতে চান, তবে তাকে বুক লিস্টে যেতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম বা ই-মেইল ঠিকানা ব্লক করা যাবে।
পর্নোগ্রাফি
এটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও আপনি যদি এ ধরনের কোনো ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড করে দিতে পারে কোনো অ্যাবিউজ রিপোর্ট অথবা নোটিশ ছাড়াই।
ভাষার অপব্যবহার
স্ট্যাটাস আপডেট অথবা ম্যাসেজ আদান-প্রদানের সময় আপনার ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বাজে ভাষা ব্যবহার করলে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভুয়া প্রোফাইল
আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোনো সেলিব্রেটি অথবা অন্য কারও নাম ব্যবহার করেন তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হবে খুব তাড়াতাড়ি। তবে এজন্য কাউকে অভিযোগ পাঠাতে হয়।
অতিরিক্ত বন্ধু রিকোয়েস্ট
প্রতিদিন ২০টির বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না, যত কম হয় ততই ভালো। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার এটি আরেকটি অন্যতম কারণ।
অনেক গ্রুপে জয়েন করা
খুব বেশি গ্রুপে জয়েন না করাই ভালো। ফেসবুক এটি ভালো চোখে দেখে না। আর গ্রুপগুলো থেকে ম্যাসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয়ে যেতে পারে প্রতিদিন।
অতিরিক্ত মেসেজ
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল অথবা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি সংবাদ বা মেসেজ পোস্ট করেন, তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর একই মেসেজ বারবার দিতে চাইলে সেখানে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন। না হলে ফেসবুকে এটি স্প্যাম হিসেবে ধরা হবে হয়তো। মূলত ফেসবুক ব্যবহারের সময় এ বিষয়গুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার তেমন কোনো আশঙ্কা থাকবে না। আর ফেসবুক ব্যবহারও হয়ে উঠবে মজার ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
মনে রাখবেন
আর সব সময় খেয়াল রাখবেন www.facebook.com-এর লিঙ্ক ছাড়া আর বাকি সব লিঙ্ক ফেইক, যেমন www.faceb00k.com। কি দেখতে একই মনে হচ্ছে তাই না, কিন্তু বিপদ এখানে। কাজেই কখনও এই ধরনের মেইলে ক্লিক করবেন না। কারণ এগুলো ফিশিং সাইট, যা ফেইক অর্থাত্ ভুয়া।
কমে যাবে লাইক সংখ্যা সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ
ছবি:

 সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট


কমে যাবে লাইক সংখ্যা সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ

রাতে ঘুম থেকে ওঠে হঠাৎ দেখা যেতে পারে কোনো সংস্থা ফেসবুক ফ্যান পেজের লাইকের সংখ্যা আচমকা কমে গেছে৷ এক বা দুই লাখ লাইক
রাতারাতি কমে যেতে পারে৷ কতটা কমবে তার কোনো ঠিকানা নেই৷ বহু নামি-দামি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান লাখ লাখ টাকা খরচ করে ফেসবুকের লাইক 
কিনে এখন বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছেন৷
আর এই শঙ্কার কথা জানিয়েছে খোদ সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ৷
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ইউজারের প্রোফাইলে নজরদারি চালিয়েছে৷ তাতে তারা প্রচুর নিষ্ক্রিয় ইউজারের 
সন্ধান পেয়েছে৷ তার মধ্যে রয়েছে কেউ হয়তো মারা গেছে, কেউবা প্রোফাইল খোলার পর দীর্ঘদিন ধরে তা ব্যবহার করেনি৷ এমনই নিষ্ক্রিয় ইউজার বা ব্যবহারকারীর একটা দীর্ঘ তালিকা তৈরি করেছে মার্ক জুকারবার্কের ফেসবুকের ইঞ্জিনিয়াররা৷
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, তারা এবার সেই নিষ্ক্রিয় ইউজারদের ফেসবুক থেকে মুছে ফেলতে চলেছে৷ এই সমস্ত ইউজার কোনো ফ্যান পেজ লাইক 
করে থাকলে, সেই লাইকও মুছে যাবে৷ স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে অনেক ফ্যান পেজের লাইকের সংখ্যা৷ আর এই সর্তকবার্তা দিয়েছে খোদ 
ফেসবুক কর্তৃপক্ষই৷ চলতি মাসের ১২ তারিখের মধ্যেই এই ইউজারদের নাম ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হবে৷
তারা পেজ অ্যাডমিনদের কাছে এক বার্তা পাঠিয়েছে জানিয়েছে, We’ve recently updated the way we measure how many people like your Page. Pages may see a decrease in likes after March 12, when we removed likes from inactive Facebook 
accounts.March12LikesDown.
স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকের এই বার্তায় মাথায় হাত পড়েছে বহু নামি-অনামি প্রতিষ্ঠানের সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজারদের৷ কারণ কাড়ি কাড়ি টাকা তারা ফেসবুককে দিয়ে হাজার-লাখো লাইক কিনেছে৷ এর মধ্যে প্রচুর সংখ্যায় এমন ইউজার রয়েছে, যারা হয়তো এখন নিষ্ক্রিয়৷ ফলে ফেসবুকের 
নতুন উদ্যোগের জেরে ওই সমস্ত লাইক ফেসবুক ফ্যান পেজ থেকে বাতিল হয়ে যাবে৷ রাতারাতি কমে যাবে পেজের লাইকের সংখ্যা।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হ্যাকারদের টেক্কা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ব

প্রযুক্তি যত আধুনিক হচ্ছে ততই স্মার্ট হচ্ছে হ্যাকাররা। অন্যের বিপত্তি বাড়াতে তাদের কর্মপরিধিও তাই দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। আগে যেখানে তাদের কাজ তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো এখন সেখানে তারা নষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছেন পুরো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো খাতের অন্তত ৫ ‘শ ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের ওপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেট। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়ায় হ্যাকারদের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান।
hackers
হ্যাকিং শব্দটার সাথে বেশ পরিচিত হলেও হ্যাকারদের নিত্যনতুন হ্যাকিং

বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট হ্যাক

এটিএম বুথ থেকে অর্থ হাতানোর ঘটনাটি দেখে মনে হবে চলচ্চিত্রেরই কোনো দৃশ্য। কিন্তু আসলে তা নয়। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তা থেকে অর্থ হাতানোর ঘটনা এটি।
ঘটনাস্থল ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকের এটিএম বুথ। পিএস ব্যাংকের একটি শাখার এটিএম বুথ থেকে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন ৩১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তাঁর কাছে আছে সোনালি রঙের একটি নাম পরিচয়হীন ক্রেডিট কার্ড; যাতে কালো ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ বসানো। সাতটি ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফোন আর সঙ্গে কাঁধ ব্যাগে ঝোলানো নগদ ৭৬ হাজার ৫৭০ পেসো। এই ব্যক্তি অর্থ উত্তোলন করছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচাতে যা করবেন


ফেসবুক ব্যাবহার এখন অনেকটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, প্রতিদিন বন্ধুদের সাথে কিছু সময় না কাটালে যেন দিনটা মোটেও ভাল কাটে না। হঠাৎ যদি দেখেন যে, আপনার ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে পারছেন না, তখন কেমন লাগবে আপনার? সুরক্ষায় রাখতে চান আপনার প্রিয় ফেসবুক? তাহলে, জেনে নিন ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ-
 
প্রথমত, ফেসবুক আইডিতে ব্যাবহার করা মেইল এবং ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভিন্ন রাখা। হ্যাকাররা হ্যাকের পরই প্রথম লক্ষ থাকে ই-মেইল এড্রেসটা বদলে ফেলা। আর কোনোক্রমে ই-মেইল এড্রেসটি বদলে ফেলতে পারলে আর হ্যাকিং হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি

৫ টি উপায় চিনে নিন হ্যাকার

ইন্টারনেট এখন আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনের অংশ। এটি ব্যবহার করে আমরা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। একই সঙ্গে তথ্য খোঁজা এবং আর্থিক লেনদেন এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে হচ্ছে। এসব করতে গিয়ে প্রায়ই আমাদের হ্যাকারদের কবলে পড়তে হয়। হ্যাকাররা ইন্টারনেটে অজস্র ফাঁদ পেতে রাখে। না জেনে এসব ফাঁদে পা দিলেই ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু একটু সর্তক হলে সহজেই হ্যাকারদের

বাংলাদেশের সেরা ১০ ওয়েবসাইট

আজ আমি আলোচনা করব বাংলাদেশের টপ ১০ সাইট নিয়ে। আমার লেখার যাবতীয় তথ্য এলেক্সা ডট কম হতে সংগৃহীত।
১। বাংলাদেশে ১ নং অবস্থানে আছে ফেসবুক ডট কম।ফেসবুক সম্পর্কে নতুন করে বলার মত কিছু নাই। বোঝা যাচ্ছে যে বাঙালি ফেসবুকে সময় নষ্ট করে বেশি। ফেসবুক গ্লোবাল র‍্যাংকে আছে ২ এ।
URL: http://www.facebook.com
২। বাংলাদেশে ২ নং অবস্থানে আছে গুগোল ডট কম। গুগোল হলো সার্চ ইঞ্জিন। এটি বর্তমানে বিশ্বে ১ম অবস্থানে আছে।
URL: http://google.com
৩। বাংলাদেশে ৩ নং অবস্থানে আছে গুগোল ডট কম ডট বিডি।এটি গুগোল বাংলাদেশের ওয়েবসাইট। গুগোল ডট কম আর গুগোল ডট কম ডট বিডি একই কাজ করে থাকে।
URL: http://google.com.bd
৪। বাংলাদেশে ৪ নং অবস্থানে আছে ইউটিউব ডট কম।বাঙালি যে ভিডিও পাগল এটি তার প্রমাণ। ইউটিউবের গ্লোবাল র‍্যাংক ৪।আর মজার বিষয় যে ইউটিউবের সহ প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের বংশভূত জায়াদ করিম।
URL: http://youtube.com
৫। বাংলাদেশে ৫ নং অবস্থানে আছে প্রথম আলো ডট কম।পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক যে সেরা ১০ এ থাকবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। সারা বিশ্বে আছে ৯৭৪ নম্বর অবস্থানে।
URL: http://www.prothom-alo.com
৬। বাংলাদেশে ৬ নং অবস্থানে আছে ইয়াহু ডট কম। এটিও একটি সার্চ ইঞ্জিন। বর্তমানে এটির জনপ্রিয়তা কমে গেলেও বাংলাদেশে এটি ভাল একটা অবস্থান রাখে তা নিশ্চিত।
URL: http://yahoo.com
৭। বাংলাদেশে ৭ নং অবস্থানে আছে বিডিনিউজ২৪ ডট কম । এটি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। গ্লোবালে তারা আছে ১৬৬৬ এ।
URL: http://bdnews24.com
৮। বাংলাদেশে ৮ নং অবস্থানে আছে ব্লগস্পট ডট কম। এর মাধ্যমে ব্লগ তৈরি করা হয়।
URL: http://blogspot.com
৯। বাংলাদেশে ৯ নং অবস্থানে আছে আসক ডট কম। আমার মতে এটি এতো জনপ্রিয় হওয়ার কথা না। তবে মনে হয় ইন্টারনেট ডট অর্গের কল্যাণে আসক ৯ম এ আস্তে পেরেছে।
URL: http://ask.com
১০। বাংলাদেশে ১০ নং অবস্থানে আছে বাংলানিউজ২৪ ডট কম । এটিও একটি বাংলা নিউজ পোর্টাল।
URL: http://banglanews24.com
আমাদের জন্য গর্বের বিষয় যে বাঙালি নিউজ পেপার বেশি পড়ে। আশা করই যে বাংলা নিউজ পোর্টাল গুলা আরও ভাল করবে।
Microsoft has exposed weaknesses in Google!

Picture:

Microsoft has exposed weaknesses in Google! Microsoft software bug has leaked gugalamaikrosaphatake has left quite an embarrassing situation, Google. Microsoft's software security flaw exposed publicly the situation is embarrassing enough for Microsoft. Once the matter before the Google-Microsoft's argument on single width. BBC news. 'Project Zero', a project by the name of software errors or bugs in Windows, Google is working to find out. The Windows 7 and Windows 8.1 operating system, Google announced a major security shortcomings. Once the error of this type of security offered angered Microsoft officials said Google just is not working. Because the customer may be employed. Google and Microsoft to work together on this issue is that Microsoft is secretly offered. Project Zero initiatives taken by different organizations find fault with security software to fix the time limit of three months, Google. If that does not fix the bugs in the period, when the company publicly revealed. The Windows operating system is Google, which has leaked the news of the existence of the bug exploited by cyber criminals to steal information from your computer that easily. Google last year to 17 October, Microsoft had this bug and fix it in three months, the deadline was set. Microsoft said, will be to fix this bug by the end of January but due to some problems to the screw would take until next February. But Google did not deviate from their rules, Microsoft has exposed the weaknesses of the public. Microsoft officials kholenani face of Google stock, but Microsoft is not happy with Google's Project Zero, it was understood that. What the Google-Microsoft's upcoming fight? Technology analysts say, Microsoft's honor in the hands of the matter said Google!
যে ভাবে শুরু করেছি অনলাইন ব্যবসা (১ম পর্ব)

ছবি:

প্রথমেই বলে রাখি আমার সাফল্য , যোগ্যতা ও দক্ষতা এতই কম যে আমি অনেকর সামনে যেতে লজ্জ্বা পাই। আমি অনেক কিছুই এড়িয়ে চলি।বিশেষ কারনে ফেইসবুকে নিজের ওয়ালেই সীমাবদ্ধ থাকি।নিজের কি কথা বলবো সেটা বুঝতে পারছি না। । কিন্তু আগের পোস্টগুলোতে কিছু অনুরোধ এসেছে তাই লিখছি। যাদের মনে হবে এই ধরনের তথ্য পড়লে মন ও মেজাজ খারাফ হয়ে যেতে পারে দয়া করে না পড়ে এড়িয়ে যাবেন। এতে আপনার মূল্যবান সময় বেচেঁ যাবে। আমি আসলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছে বাংলাদেশেই।কোন কোম্পানীতে যোগ না দিয়ে নিজেই সফটওয়্যার তৈরি করতাম। ২০০২ সাল হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সফটওয়্যার তৈরির সাথে যুক্ত চিলাম। । আমার সাথে আমার একজন এসিট্যান্ট ২০০২ বা ২০০৩ সাল থেকেই ছিলো। আমার শুরুটা ভালো হয়েছিলো। প্রথমেই একটা শিপিং ইয়ার্ডের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করি।এই সফটওয়্যার তৈরি করতে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছিলো। আমার কাজের ধরন ও সাফল্য দেখে তারা আমার সাথে দীর্ঘ মেয়াদী চুক্তি করে। এই কাজের পর আরো বড় বড় কোম্পানী গুলো তাদের সফটওয়্যার বানাতে আমাকে হায়ার করা শুরু করছিলো। শিপিংয়ের অনেকেই আমাকে তখন চিনতো।অনেকই আমাকে বেশ কদর করতো। আমার কোনো প্রজেক্টেই ব্যর্থ হয় নাই। এক শিপিং কোম্পানীর ম্যানেজার আরেক শিপিং কোম্পানীর ম্যানেজারে কাছে নিয়ে যেতো। তারাই আমার মার্কেটিং করতো। কিন্তু আমার লোকাল মার্কেটের জন্য কাজ করতে ভালো লাগতো না। খুব চাপ আর অনিশ্চয়তা। টাকা পয়সা যেভাবে পাওয়ার কথা পাচ্ছিলাম না। ২০০৩ সালেই আমি বিয়ে করি। একটা একটা ভীষন চাপ ছিলো। আমি চাইছিলাম আরো ভালো কিছু করতে ।তখন ইন্টারনেটের ব্যবহারের সুবিধা তেমন ছিলো না। আমি ইনটারনেট ব্যবহারে সুযোগ পেলেই অনলাইনে কিভাবে কাজ করা যায় তা দেখতাম। এই দেখাদেখি আসলে ২০০০ সাল থেকেই করছিলাম। আমি যখন শুরু করি তখন শুধু রেন্টে কোডার আর ইল্যান্স ছিলো। ওডেক্সের নামই শুনি নাই। ২০০৮ এর দিকই আসলে অডেক্স বেশ জনপ্রিয় হয়। আমি আগেই ঠিক করেছি আমি একা কাজ করবো না। আমার টিম থাকবে তারা ৮০% কাজ করবে। ২০% কাজ যেগুলো তারা পারবে না সেগুলো আমি করবো। আমি খেয়াল করে দেখেছি যেকোনো কাজে এমনকি মেনেজারের কাজেও ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ রিপিটিটিভ এবং একই ধরনের । আমি বিশ্বাস করতাম এই ৮০% কাজ অন্যকে শিখালে সে করতে পারবে। মানে জুনিয়র দিয়ে করানো যাবে।তাই আমার প্লান ছিলো আমার কাজের ৮০% কাজ আমি টিম দিয়ে করাবো। আমি উইনডোজ প্রোগ্রামার ছিলাম। ইল্যান্সে প্রোফাইল খুলতে টাকা লাগতো। আর রেন্টে কোডারে যে কাজ ছিলো তা ইন্ডিয়ান প্রোগ্রামারদের বিড করার মতো প্রস্তুত ছিলাম না।আর বিড করতে আমার ভালো লাগতো না। ওয়েবে কিভাবে বিজনেস করা যায় তা পড়তে থাকি। ওয়েব সাইট, কনটেন্ট , মার্কেটিং এগুলো যখন যা পাই পড়তে থাকি। নানা রকম যোগ বিয়োগ করেছি। ওয়েব বিজনেস তৈরির ক্ষেত্রে তখন কিছু লেখা পড়ছিলাম তাতে ইউএসপি(ইউনিকসেলিং পজিসনিং) এর কথাই বার বার বলা হতো।খুজতে লাগলাম আমাদের ইউএসপি কি। দেখলাম সেটা মানুষ। সেই কারনে গার্মেন্টসের প্রায় সব ব্যবসায়ী ধনী ও গাড়ী বাড়ীর মালিক। সেই কারনে বিদেশে যারা লোক পাঠায় তারা সফল। সবাই টাকার মালিক হয়। আমি খুজতেছিলাম এমন ধরনের কাজ যা কিছু ট্রেনিং দিয়ে মানুষকে তৈরি করে নেয়া যায়। যদিও আমি প্রোগ্রামার আমি প্রোগ্রামিংকে নিজের ইউএসপি মনে করি নাই। কারন তখন প্রোগ্রামার পাওয়া খুব কঠিন । আমি আগেই বলেছি আমি নিজে কাজ করবো না এটাই প্লান ছিলো। আর প্রোগ্রামারা খুব সুইচ করে। প্রফেশনলারা ছোট কোম্পানীগুলোকে তাদের ক্যারিয়ার তৈরির জন্য অপেরেশন ল্যাব হিসাবে ব্যবহার করে। একটু তৈরি হলেও বেটার চান্সের কথা বলে চলে যাবে এই বিষয়টা মাথায় ছিলো। আমি ঠিক করেছিলাম যাই করি যে টিম তৈরি করবো তারা তিন বছর কমপক্ষে কাজ করতে হবে। তবে আমি অর্থনৈতিক ভাবে শক্ত হয়ে যাবো। আমি তখন প্রোডাক্ট তৈরির জন্য প্রজেক্টে ফ্যাইনান্স করতে পারবো। আর বেটার প্রফেশনাল নিয়োগ করতে পারবো। এরই মধ্যে প্রথমে অফিসে পরে বাসায় ব্রডব্যান্ডের ব্যবস্থা করেছি। দিনের বেলায় সফটওয়্যারের কাজ করি । রাতে ওয়েবে কি করা যায় তাই খুজি। এই রকম ৩ বছর চলছিলো। প্রচন্ড মানুসিক চাপ আর অনিশ্চয়তায় ভুগতেছিলাম। খুবই ভালো কিছু চাকরীর অফার ছিলো রিজেক্ট করেছিলাম। তাই মাঝে মাঝে মনে হতো না জানি ছিটকে পড়ি। ওয়েব রিসার্চ করতে করতে কিছু সার্ভিসের ধারনা পাইছি। সেইগুলো নিয়ে এবার ওয়েব সাইট তৈরি শুরু করার শুরু করলাম।

পৃথিবীর ভেতরের স্তরের নতুন তথ্য

ছবি

পৃথিবীর ভেতরের স্তরের নতুন তথ্য


   
পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে কী আছে, তা জানার চেষ্টায় বিজ্ঞানীরা নতুন তথ্য পেয়েছেন। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা যায়, আমাদের এই গ্রহের একেবারে গভীরে রয়েছে আরেকটি স্বতন্ত্র অঞ্চল।
এ ব্যাপারে নেচার জিওসায়েন্স সাময়িকীতে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে লোহার স্ফটিকের কাঠামো রয়েছে। আর সেটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ স্তরের বাইরের অংশের চেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্যের।
মাটি খুঁড়ে পৃথিবীর কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই সেখানকার গঠন-প্রকৃতি বিজ্ঞানীদের কাছে বরাবরই রহস্যময় বলে বিবেচিত হয়। ভূমিকম্পের ফলে ভূপৃষ্ঠে যে কম্পন ও প্রতিধ্বনি হয়, বিজ্ঞানীরা তার ওপর গবেষণা চালিয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের বৈশিষ্ট্য জানার চেষ্টা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিয়াওদং সং বলেন, ভূমিকম্পের ফলে তৈরি তরঙ্গগুলো পৃথিবীর এক পাশ থেকে আরেক পাশে প্রবাহিত হয়।
চীনের সহকর্মীদের নিয়ে অধ্যাপক সং ওই তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা চালান। তিনি বলেন, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের গঠন-বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে একধরনের আভাস বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। স্থানটি দুই অংশে বিভক্ত এবং কঠিন পদার্থে পূর্ণ। আকারে প্রায় চাঁদের সমান।
ভূকম্পঘটিত তরঙ্গের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে যেসব স্ফটিক রয়েছে, সেগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত। আর অভ্যন্তরীণ স্তরের বাইরের অংশে যেসব পদার্থ রয়েছে, সেগুলো উত্তর-দক্ষিণ বরাবর সজ্জিত রয়েছে। অধ্যাপক সং বলেন, তাঁরা পৃথিবীর একেবারে গভীরে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন কাঠামো খুঁজে পাচ্ছেন। এতে করে পৃথিবীর দীর্ঘ ইতিহাস সম্পর্কে নতুন অনেক কিছু জানা যেতে পারে।
পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলটি ভূপৃষ্ঠ থেকে অন্তত পাঁচ হাজার কিলোমিটার নিচে। প্রায় ১০০ কোটি বছর আগে সেখানকার উপাদানগুলো কঠিন পদার্থে রূপ নিতে শুরু করে। স্থানটি প্রতিবছর প্রায় দশমিক ৫ মিলিমিটার করে বাড়ছে। সেখানে ভিন্ন ভিন্ন সজ্জায় স্ফটিকের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, পৃথক পৃথক পরিবেশে সেগুলো গঠিত হয়েছে এবং আমাদের গ্রহটি সম্ভবত সে সময় নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে।
যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইমন রেডফার্ন বলেন, পৃথিবীর গভীরতর স্থানে কঠিন পদার্থসংবলিত অঞ্চলের অনুসন্ধানের ব্যাপারটি কালের পরিক্রমায় পেছনে ফিরে যাওয়ার মতো। কারণ, এতে করে ওই স্থানের গঠনের শুরুর সময়টা সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যেতে পারে। এই গ্রহের কেন্দ্রস্থলে স্ফটিক স্বচ্ছ পদার্থের সারিবদ্ধ অবস্থান সম্পর্কে মানুষ আগে কখনো শোনেনি। এই আবিষ্কারের ফলে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলটি মাটির গভীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বলে জানা গেল।
রেডফার্ন আরও বলেন, অন্যান্য গবেষণা অনুযায়ী পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র সম্ভবত প্রায় ৫০ কোটি বছর আগে একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পার করেছে। হয়তো তখন নিরক্ষীয় অক্ষ এবং মেরু অক্ষের মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
পাসওয়ার্ড ছাড়াও ফেসবুকে লগ ইন

ছবি:


আপনি কি কখনও ফেসবুকের কোনো কর্মীর সঙ্গে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম হেল্পডেস্কের মাধ্যমে কথা বলেছেন? আপনি কি জানেন যে ফেসবুকের একজন কর্মী খুব সহজেই আপনার প্রোফাইল
মশা দিয়ে মশা নিধন।


ছবি
:
মশা দিয়ে মশা নিধন! মশা দিয়েই মশা নিধন। শুনেই হয়তো অবাক হলেন। কিভাবে এটা সম্ভব। কিন্তু যদি বলা হয় কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার কথা তবে তা অনেকটা স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কারণ এই শব্দটির সঙ্গে সকলেই কম বেশি পরিচিত। মশার অত্যাচারে অতিষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মানুষ যদি একবার অনুমতি দেয় তো ডেঙ্গুর মতো ভয়াবহ রোগ প্রতিরোধে তাদের দেয়া
মোবাইল মেটাবে প্রেমিকের অভাব !
ছবি:

মোবাইল মেটাবে প্রেমিকের অভাব ! একজন প্রেমিকের অভাব পূরণ করবে মোবাইল। ভাবছেন এটা আবার কিভাবে সম্ভব। হ্যাঁ, সম্ভব। যারা প্রেমিকের অভাব অনুভব করছেন, তাদের জন্যই “ইনভিজিবল বয়ফ্রেন্ড” নামের অ্যাপটি তৈরি হয়েছিল বোধহয়। তবে এজন্য আপনাকে গুণতে হবে মাসে মাত্র ২৪.৯৯ ডলার। বিনিময়ে এই অ্যাপ আপনাকে একজন প্রেমিকের মতোই পাঠাবে টেক্সট মেসেজ, এমনকি হাতে লেখা চিঠিও। প্রয়োজনে করবে কলও। “ইনভিজিবল গার্লফ্রেন্ড” নামের একটি ভার্সন প্রথম বাজারে আসে ২০১৩ সালে। কিন্তু তখনও এর বাণিজ্যিক সাফল্য নিয়ে সন্দিহান
সিদ্ধ ডিম কাঁচা করা যাবে !
ছবি:

সিদ্ধ ডিম কাঁচা করা যাবে ! সিদ্ধ ডিম করা যাবে কাঁচা! শুনেই হয়তো অবাক হলেন। হওয়ারই কথা কারণ ডিমের কঠিন অংশ পুনরায় কিভাবে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তবে এই অসম্ভব কাজটি সহজ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। আর এই আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন সাফল্য দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভর্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক সিদ্ধ ডিমকে কাঁচায় পরিণত করার গবেষণা করেন। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক জর্জ ওয়েস। তাঁদের গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী ‘কেমবায়োকেম’। গবেষকরা বলেন, একটি ডিমকে সিদ্ধ করা হলে এর প্রোটিন বা সাদা অংশ রাসায়নিক পরিবর্তন হয়ে জটিল গঠনে রূপ নেয়। গবেষকরা জটিল গঠনের এই সিদ্ধ ডিমের অংশকে সম্পূর্ণ কাঁচা অবস্থায় নিয়ে এসেছেন। গবেষণায় ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ২০ মিনিট সিদ্ধ হওয়া একটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করা হয়। রাসায়নিক বস্তু যোগ করে সাদা জমাট বাঁধা অংশকে তরলে রূপান্তরিত করা হয়। পরে এই তরলকে ‘ভরটেক্স ফ্লুইড মেশিন’ নামক একটি যন্ত্রে মধ্যে নেওয়া হয়। গবেষক ওয়েজ ও তাঁর সহকর্মীরা যন্ত্রটি তৈরি করেছেন। এই যন্ত্রে প্রবেশকৃত তরল মিশ্রণটির ওপর অতি সূক্ষভাবে চাপ পড়ে। এতে ডিমের সিদ্ধ হওয়া সাদা অংশ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে আগের কাঁচা অবস্থার পরিণত হয়।
ওয়েব সাইট এর ডোমেইন নেম ও ওয়েব হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
ছবি:

আমাদের অনেকের নিজের কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট তৈরি করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু একটি ওয়েব সাইট বানানোর জন্য প্রধান দুটি জিনিসের দরকার হয়। একটি হল ডোমেইন নেম আর একটি হল হোস্টিং। ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিংয়ের বিষয়টি অনেকের কাছে কঠিন মনে হয়। আমি সহজ ভাবে আপনাদের বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করছি। ডোমেইন নেম কি ? আগের উদাহরনে ফিরে যায়। আপনার অফিসে
ওয়াইফাই হ্যাকিংয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব
ছবি: ওয়াইফাই হ্যাকিংয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব

সম্প্রতি বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিমানে যাত্রীদের জন্য ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এ ওয়াইফাই ব্যবহার করেই বিমানের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকিং করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি এক প্রতিবেদন বাণিজ্যিক বিমানে ওয়াইফাইয়ের ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে। এতে জানানো হয়েছে, ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে বিমান হ্যাকিং করে তা ভূপাতিত করা সম্ভব। তবে বিষয়টি কতোখানি সহজ বা কঠিন, তা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।
সরকারের এ রিপোর্টের পর বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চিন্তা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে ককপিটে ব্যবহৃত সরঞ্জামের দিয়েই যাত্রীদের ইন্টারনেট দেওয়া হয় না। যাত্রীদের ব্যবহৃত ওয়াইফাই যন্ত্রপাতি সরাসরি বিমানের নেভিগেশনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির সঙ্গে সংযুক্ত না হলেও তারা কিছু অভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি সম্প্রতি বিমান ট্র্যাকিংয়ের জন্য নতুন কিছু সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছে। এসব সিস্টেমের মাধ্যমেও বিমান হ্যাকিং করা সম্ভব হতে পারে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
বিমান পরিচালনাকারী যন্ত্রপাতি প্রধানত অন্য যন্ত্রগুলো থেকে আলাদা থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে এফএএ এবং সাইবারসিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা ফায়ারওয়ালের ওপর নির্ভরশীল। তবে ফায়ারওয়্যাল যেহেতু সফটওয়্যার, তাই এটি কোনোভাবে হ্যাক করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে এক পর্যায়ে হ্যাকাররা আস্ত একটি বিমান হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ কারো হাতে নেওয়াটাও অসম্ভব নয়।
সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড
ছবি:

সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড

খুব সহজেই কোন প্রকার সফ্টওয়্যার ছাড়াই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করা যায়। যে ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন সে ভিডিওটি ওয়েব ব্রাউজারের ওয়েব লিংকে  http://www.  এর পরে মাত্র দুইটি ss যুক্ত করেই ব্রাউজ করলেই (saveform.net) র্সাভারের একটি পেজ আসবে।

পেজটির ডান পাশে ডাউনলোড লিংক সব ফরম্যাটে দেয়া থাকে। আপনার পছন্দের যে কোন একটি ফরম্যাটে ক্লিক করলেই ভিডিওটি ডাউনলোড হবে। 
আফসোস বিল গেটসের !
ছবি:বিল গেটসের


আফসোস বিল গেটসের ! 
                          

প্রচুর অর্থকড়ি থাকলেই যে সবকিছু করা যায়, তা ঠিক নয়। অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হতে পারেন মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান নির্বাহী বিল গেটস, এর পরও একটি বিষয়ে তাঁর আফসোস থেকেই গেছে। কী আফসোস? একাধিক ভাষা না শেখা। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, ‘আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে কোনো বিষয়ে আমার আক্ষেপ বা দুঃখবোধ আছে কি না বা আমি করতে পারিনি এমন কোনো বিষয় আমাকে কষ্ট দেয় কি না, তবে আমি বলব যে আরও বেশি বিদেশি ভাষা শিখতে না পারার আক্ষেপ আমাকে বেশি পোড়ায়।’ মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গেটস নিজের আফসোস নিয়ে বলেন, ‘যখন মনে হয় আমি ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো বিদেশি ভাষা জানি না, নিজেকে খুব বোকা মনে হয়।’
নিজের অতীত স্মৃতি মনে করে গেটস বলেন, ‘যখন হাইস্কুলে পড়তাম, তখন লাতিন আর গ্রিক পড়েছিলাম এবং এতে এ গ্রেড পেয়েছিলাম। এতে শব্দভান্ডার হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু আমার ইচ্ছা ছিল ফ্রেঞ্চ, আরবি বা চাইনিজ ভাষা শেখার। সময় পেলে এ ভাষাগুলোর মধ্যে কোনো একটা শেখার চেষ্টা করব বলে ভেবেছিলাম। ফ্রেঞ্চ ভাষা যেহেতু সহজ, আমি সেটাই আগে শেখার চেষ্টা করেছিলাম। বেশ কিছুদিন দুটি ভাষার চর্চা চালিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তা আর ধরে রাখতে পারিনি।’
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের একাধিক ভাষায় কথা বলার দক্ষতার প্রশংসাও করেন বিল গেটস। তিনি বলেন, ‘মার্ক জাকারবার্গকে দেখে দারুণ লাগে। কী চমৎকারভাবে মান্দারিন ভাষায় চীনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব চালিয়ে গেল সে।’
নিরাপদ রাখবেন যেভাবে ফেসবুক

ছবি: নিরাপদ রাখবেন যেভাবে ফেসবুক
সাবধানে থাকুন বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের খুবই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। নানা বয়সের মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করলেও মূলত তরুণ প্রজন্মই এটি বেশি ব্যবহার করে। তরুণদের কাছে ফেসবুকের আকর্ষণ অনেক বেশি। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ফেসবুকের নীতিমালা না জানা বা নীতিমালা না পড়ার কারণে অনেক কম বয়সী ছেলেমেয়ে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে তা ব্যবহার করে। ফেসবুকে হাজারো সুবিধা থাকার পরও কম বয়সী ব্যবহারকারী ও মেয়েরা এখানে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকারও হয়। যেহেতু ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা কঠিন, তাই এতে অনেক সময় অনেক সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় দেখা যায় ব্যবহারকারীর সব তথ্য (প্রোফাইল ইনফো) তার বন্ধু (ফেসবুক ফ্রেন্ড) না হয়েও অনেকে দেখতে পারে বা একজনের ব্যক্তিগত ছবির অ্যালবাম অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দেখে ফেলে। এসব সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। তবে এর জন্য ব্যবহারকারীকে ফেসবুকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বিভিন্ন ধরনের প্রাইভেসির সুবিধা এতে রয়েছে।
ব্যাকআপ রাখুন
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও যেন আপনার ছবি, ভিডিও, নোট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন হারিয়ে না যায়, সেজন্য ফেসবুকে রয়েছে ব্যাকআপ রাখার ব্যবস্থা। ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Download a copy-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Start My Archive-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হতে থাকবে। ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনার ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। তারপর আবার Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে Download a copy-এ ক্লিক করে আপনার ফেসবুকের ব্যাকআপ প্রোফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড হওয়ার পর জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন। এখন রহফবী ফাইলটি ওপেন করলে আপনি আপনার ফেসবুকের পুরো প্রোফাইল (ছবি, ওয়াল, মেসেজ, ফ্রেন্ড) দেখতে পারবেন। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও আপনার তথ্যগুলো হারিয়ে যাবে না।
সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন 
ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। দেখবেন শুরুতেই আছে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন। এখানে একটি প্রশ্ন সিলেক্ট করে তার উত্তর সেভ করে রাখুন। পরে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ পরিবর্তন করে দিলে এর মাধ্যমে লগ ইন করতে পারবেন।
মোবাইল নম্বর যোগ করা
ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি কখনও চুরি হয়ে যায়, তাহলে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা উদ্ধার করতে পারবেন। আবার আপনি ইচ্ছা করলে ফেসবুকের খবর বা নোটিফিকেশনসগুলোও মোবাইল ফোনে পেতে পারেন বিনা মূল্যে। এজন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ গিয়ে বাঁ পাশ থেকে গড়নরষব-এ ক্লিক করুন। এখন Add a Phone লিংকে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে গড়নরষব Carrier-এ বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল বা রবি নির্বাচন করে ঘবীঃ-এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নম্বরটি ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ করতে না চাইলে Add this phone number to my profile বক্স থেকে টিক চিহ্নটি তুলে দিন। আপনার মোবাইল থেকে ঋ লিখে ৩২৬৬৫-এ মেসেজ দিন। ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে একটি কোড নম্বর আসবে, সেটি কোড বক্সে লিখে ঘবীঃ-এ ক্লিক করুন।
অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা
আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Login Notifications-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। Email-এর পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ঝধাব Changes-এ ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করে Require me to enter a security code sent to my phone বক্সে টিকচিহ্ন দেয়ার সময় নতুন বার্তা এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন। এখন Phone number বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। তারপর Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন, Name New Computer নামের একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন। এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করলেই কেবল আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মোবাইলে আসা কোড নম্বরটি কোড বক্সে প্রবেশ করানো হবে। আপনার ই-মেইলে একটি মেইল যাবে, যেটাতে লেখা থাকবে কে, কখন, কী নাম দিয়ে, কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করেছিল।
স্প্যাম এবং স্ক্যাম থেকে দূরে থাকুন
প্রায়ই দেখবেন see who have visited your profile, see who have deleted you, see how many people visited your profile এছাড়াও আছে কিছু ভিডিও বা ছবি যাতে লেখা থাকে the girl died after seeing this pic ইত্যাদি। এগুলোতে ক্লিক করলে দেখবেন আপনার প্রফাইলে এসব স্প্যাম মেসেজ যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, আপনার স্ট্যাটাস হিসেবে এসব চলে আসছে। সুতরাং এগুলো ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখুন। 
হুমকি-ধমকি চলবে না
কাউকে ভুলেও, মজা করেও ফেসবুকে থ্রেট দেয়া যাবে না। আবার গালাগাল করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। নাহলে কেউ যদি রিপোর্ট করে আইডির আশা ছেড়ে দিতে হবে।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড প্রয়োগ
কোনো আইডির সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে মিশ্র ধরনের পাসওয়ার্ডের দিকে নজর দিতে হবে। মানুষ সব সময় যে কমন ভুলটা করে তা হলো নিজের ডিটেলস দিয়ে পাসওয়ার্ড দেয়, কিন্তু তা মোটেও নিরাপদ নয়। যেমন নিজের নাম, পরিবারের কারও নাম, জন্মতারিখ কিংবা মোবাইল নম্বর—এ ধরনের তথ্য। মনে রাখবেন পাসওয়ার্ড দিতে গেলে বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর যে কোনো অঙ্ক, স্পেস ইত্যাদি ব্যবহার করবেন। আর স্পেশাল চিহ্নও রাখতে পারেন, যথা : *, %, # ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন। পাসওয়ার্ডের মোট অক্ষর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কমপক্ষে ৬ সংখ্যার পাসওয়ার্ড দিতে হলেও চেষ্টা করুন যাতে মিনিমাম ১০-১৫ অঙ্কবিশিষ্ট হয়। আর পাসওয়ার্ডকে যাতে ভুলে না যান সেজন্য অন্য কোথাও সংরক্ষণ করুন।
নিয়মিতভাবে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
নিয়মিতভাবে নতুন পাসওয়ার্ড দিন, দেখবেন তাতে পাসওয়ার্ড ফাঁস হলেও ভয়ের কিছু থাকবে না। আর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Forgot Password নামক অপশনটি তো অপেক্ষা করছেই আপনার হারানো পাশ ফিরে পেতে।
ব্যক্তিগত তথ্য সম্বন্ধে সাবধানতা
প্রোফাইলে এমন কোনো তথ্য দেবেন না, যাতে দুষ্টচক্রের হাতে আপনার তথ্য পাচার হয়ে যায়, আর সেই তথ্য থেকেই আপনার পাসওয়ার্ড ব্রেক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিরাপদ হলো সেইসব তথ্য কাউকে না দেয়া। এ ব্যাপারটা ব্যবহার করে আমি নিজে ৬টা আইডি চেষ্টা করে ১০০ ভাগ সফল হয়েছি। সো ডন্ট ডু দ্যাট, অবশ্য আমি তাদের দুর্বলতা চেক করার উদ্দেশ্যেই সেটা করেছি।
অপরিচিত/ফেক অ্যাকাউন্টকে বন্ধু বানাবেন না
একটা অপরিচিত ব্যক্তিকে কখনোই রিকোয়েস্ট বা এক্সেপ্ট করা উচিত নয়, কারণ এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ছবিহীন প্রোফাইল বা প্রয়োজনীয় ইনফো ছাড়া কাউকে অ্যাড করা কোনোভাবেই উচিত নয়।
লিঙ্ক ক্লিকে সতর্কতা
ধরুন, আপনাকে কেউ একজন একটা লিঙ্ক দিল, কিন্তু সেই লিঙ্কে ক্লিক করার আগে বেশ কয়েকবার চিন্তা করা উচিত। যেমন, এমন হলো এটা পিশিং লিঙ্ক, বা কুকি স্টিলিং স্ক্রিপ্ট বা বিপজ্জনক কিছু, যা আপনার যে কোনো প্রাইভেসি ভাঙতে পারে।
ই-মেইল সুরক্ষা ও এর সতর্ক ব্যবহার
ইদানীং সবচেয়ে বেশি হ্যাক করা হয় ই-মেইলের মাধ্যমে, তাই ই-মেইল অ্যাড্রেসের কোনো লিঙ্কে যদি ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তাহলে ভুলেও সেখানে কিছু দেবেন না, আর ফেসবুকের হ্যাক কিন্তু ই-মেইল দিয়েই করা যায়। তাই আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেসের পাসওয়ার্ডও অনেক স্ট্রং করবেন, না হলে তো বুঝতেই পারছেন!
ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট আলাদা রাখা
ফেসবুকে প্রাইভেট গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে বন্ধুদের তালিকা আলাদা করা যায়। পরিবার, স্কুল, কলেজ বা অফিসের বন্ধুদের তালিকা আলাদা রাখলে সবারই নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। এটি সহজে করা যায় ফ্রেন্ড লিস্টে গিয়ে নতুন লিস্ট তৈরি করার মাধ্যমে।
ফেসবুক সার্চ লিস্ট বন্ধ করা
ফেসবুকের সার্চ অপশন ব্যবহার করে সহজেই মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে এটি বন্ধ করা যায়, এমনকি ব্যবহারকারী যে নেটওয়ার্কের সদস্য, সেটি থেকেও তার উপস্থিতি লুকানো সম্ভব। এটি করা যাবে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে সার্চ অপশনে গিয়ে। ফেসবুক সার্চ রেজাল্টে কারা সার্চ করতে পারবেন, এটি বাছাই করা যাবে এখান থেকে।
গুগল সার্চ লিস্ট বন্ধ
অনেক সময় দেখা যায়, গুগলে কারও নাম দিয়ে সার্চ করা হলে সেখানে সেই ব্যক্তির ফেসবুকের পেজও চলে আসে। এভাবে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিও নির্দিষ্ট কারও সব তথ্য পেতে পারে বা তাকে খুঁজে বের করতে পারে। এটি করার জন্য ‘সার্চ প্রাইভেসি সেটিং’ পেজে গিয়ে ‘পাবলিক সার্চ রেজাল্ট’ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিতে হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ
যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাদের কাছে এটি খুব পরিচিত ব্যাপার। ব্যবহারকারীর অজান্তে দেখা যায়, তার কোনো ব্যক্তিগত ছবি বা অন্য কারও ছবি যোগ হয়ে যায় (ট্যাগ করা) এবং ব্যবহারকারীর বন্ধুরা সেটি দেখতে পান। প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে ‘ফটোস ট্যাগড অব ইউ’-এ গিয়ে ‘অনলি মি’ অপশন বাছাই করে দিলে কেউ আর কোনো ছবি যোগ করতে পারবে না।
ফটো অ্যালবামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
অনেক সময় দেখা যায়, পারিবারিক ফটো অ্যালবাম, যা কিনা শুধু পরিবারের সঙ্গে দেখা যায়, তা অসাবধানতার কারণে সবার কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়। ফটো বা ফটো অ্যালবাম ফেসবুকে রাখার (আপলোড) সময় কে কে এটি দেখতে পাবে, তা ঠিক করে দেয়া যায়।
নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যবহারকারী তার নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ না করলে তার প্রোফাইলের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সবার নজরে পড়ে যায়, যা হয়তো তিনি কাউকে দেখাতে চাননি।
অ্যাপ্লিকেশন স্টোরি নিয়ন্ত্রণ করা
ফেসবুকের অন্যতম আর্কষণ এর বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন। এসবের হালনাগাদ (আপডেট) অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তে তার নিউজ হোমপেজে প্রকাশ হয়, যা অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। এ থেকে মুক্তি পেতে ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশন সেটিংস অপশনে গিয়ে ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে হবে।
কনটাক্ট ইনফরমেশন প্রাইভেট বানানো
ব্যবহারকারী তার সঙ্গে যোগাযোগ করার তথ্য, যেমন—ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস থেকে কনটাক্ট ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করে এটি করা যাবে।
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করা
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে প্রোফাইল ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে অ্যালাউ ফ্রেন্ডস টু পোস্ট অন মাই ওয়াল অপশনে টিক চিহ্ন দিতে হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি ব্লক করা
ফেসবুক ব্যবহারকারী যদি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করতে চান, তবে তাকে বুক লিস্টে যেতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম বা ই-মেইল ঠিকানা ব্লক করা যাবে।
পর্নোগ্রাফি
এটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও আপনি যদি এ ধরনের কোনো ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান্ড করে দিতে পারে কোনো অ্যাবিউজ রিপোর্ট অথবা নোটিশ ছাড়াই।
ভাষার অপব্যবহার
স্ট্যাটাস আপডেট অথবা ম্যাসেজ আদান-প্রদানের সময় আপনার ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বাজে ভাষা ব্যবহার করলে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভুয়া প্রোফাইল
আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোনো সেলিব্রেটি অথবা অন্য কারও নাম ব্যবহার করেন তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হবে খুব তাড়াতাড়ি। তবে এজন্য কাউকে অভিযোগ পাঠাতে হয়।
অতিরিক্ত বন্ধু রিকোয়েস্ট
প্রতিদিন ২০টির বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না, যত কম হয় ততই ভালো। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার এটি আরেকটি অন্যতম কারণ।
অনেক গ্রুপে জয়েন করা
খুব বেশি গ্রুপে জয়েন না করাই ভালো। ফেসবুক এটি ভালো চোখে দেখে না। আর গ্রুপগুলো থেকে ম্যাসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয়ে যেতে পারে প্রতিদিন।
অতিরিক্ত মেসেজ
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল অথবা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি সংবাদ বা মেসেজ পোস্ট করেন, তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর একই মেসেজ বারবার দিতে চাইলে সেখানে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন। না হলে ফেসবুকে এটি স্প্যাম হিসেবে ধরা হবে হয়তো। মূলত ফেসবুক ব্যবহারের সময় এ বিষয়গুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার তেমন কোনো আশঙ্কা থাকবে না। আর ফেসবুক ব্যবহারও হয়ে উঠবে মজার ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
মনে রাখবেন
আর সব সময় খেয়াল রাখবেন www.facebook.com-এর লিঙ্ক ছাড়া আর বাকি সব লিঙ্ক ফেইক, যেমন www.faceb00k.com। কি দেখতে একই মনে হচ্ছে তাই না, কিন্তু বিপদ এখানে। কাজেই কখনও এই ধরনের মেইলে ক্লিক করবেন না। কারণ এগুলো ফিশিং সাইট, যা ফেইক অর্থাত্ ভুয়া।
কমে যাবে লাইক সংখ্যা সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ
ছবি:

 সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট


কমে যাবে লাইক সংখ্যা সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ

রাতে ঘুম থেকে ওঠে হঠাৎ দেখা যেতে পারে কোনো সংস্থা ফেসবুক ফ্যান পেজের লাইকের সংখ্যা আচমকা কমে গেছে৷ এক বা দুই লাখ লাইক
রাতারাতি কমে যেতে পারে৷ কতটা কমবে তার কোনো ঠিকানা নেই৷ বহু নামি-দামি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান লাখ লাখ টাকা খরচ করে ফেসবুকের লাইক 
কিনে এখন বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছেন৷
আর এই শঙ্কার কথা জানিয়েছে খোদ সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ৷
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ইউজারের প্রোফাইলে নজরদারি চালিয়েছে৷ তাতে তারা প্রচুর নিষ্ক্রিয় ইউজারের 
সন্ধান পেয়েছে৷ তার মধ্যে রয়েছে কেউ হয়তো মারা গেছে, কেউবা প্রোফাইল খোলার পর দীর্ঘদিন ধরে তা ব্যবহার করেনি৷ এমনই নিষ্ক্রিয় ইউজার বা ব্যবহারকারীর একটা দীর্ঘ তালিকা তৈরি করেছে মার্ক জুকারবার্কের ফেসবুকের ইঞ্জিনিয়াররা৷
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, তারা এবার সেই নিষ্ক্রিয় ইউজারদের ফেসবুক থেকে মুছে ফেলতে চলেছে৷ এই সমস্ত ইউজার কোনো ফ্যান পেজ লাইক 
করে থাকলে, সেই লাইকও মুছে যাবে৷ স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে অনেক ফ্যান পেজের লাইকের সংখ্যা৷ আর এই সর্তকবার্তা দিয়েছে খোদ 
ফেসবুক কর্তৃপক্ষই৷ চলতি মাসের ১২ তারিখের মধ্যেই এই ইউজারদের নাম ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হবে৷
তারা পেজ অ্যাডমিনদের কাছে এক বার্তা পাঠিয়েছে জানিয়েছে, We’ve recently updated the way we measure how many people like your Page. Pages may see a decrease in likes after March 12, when we removed likes from inactive Facebook 
accounts.March12LikesDown.
স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকের এই বার্তায় মাথায় হাত পড়েছে বহু নামি-অনামি প্রতিষ্ঠানের সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজারদের৷ কারণ কাড়ি কাড়ি টাকা তারা ফেসবুককে দিয়ে হাজার-লাখো লাইক কিনেছে৷ এর মধ্যে প্রচুর সংখ্যায় এমন ইউজার রয়েছে, যারা হয়তো এখন নিষ্ক্রিয়৷ ফলে ফেসবুকের 
নতুন উদ্যোগের জেরে ওই সমস্ত লাইক ফেসবুক ফ্যান পেজ থেকে বাতিল হয়ে যাবে৷ রাতারাতি কমে যাবে পেজের লাইকের সংখ্যা।